winvip-এ ক্রিকেট বেটিং — BPL থেকে T20 বিশ্বকাপ পর্যন্ত সব ম্যাচে বাজি ধরুন
টাইগার্সদের খেলা হোক বা IPL-এর রোমাঞ্চ — winvip-এ ম্যাচ উইনার, লাইভ বেটিং, টস থেকে শুরু করে একাধিক মার্কেটে অডস পাবেন। সহজ ইন্টারফেস, দ্রুত পেমেন্ট।
ক্রিকেটের তিনটি ফরম্যাট ও বাজির পার্থক্য
ক্রিকেট বেটিং বোঝার প্রথম ধাপ হলো ফরম্যাট চেনা। T20, ODI আর Test — তিনটির গেমপ্লে আলাদা, তাই বাজির ধরনও ভিন্ন।
টি-টোয়েন্টি
মাত্র ২০ ওভারের ম্যাচ, ফলাফল দ্রুত বদলায়। BPL, IPL, T20 বিশ্বকাপ এই ফরম্যাটে হয়। লাইভ বেটিংয়ে প্রতিটি ওভারের পর অডস আপডেট হয়, তাই দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়াটাই মূল বিষয়।
দ্রুত ফলাফল লাইভ বেটিংএকদিনের ম্যাচ
৫০ ওভারের ম্যাচে কৌশলের পরিসর বেশি। ICC ক্রিকেট বিশ্বকাপ এই ফরম্যাটে। মিড-ইনিংসে বাজির বাজার অনেকটা পরিবর্তিত হয়, ফলে একাধিক মার্কেটে সুযোগ তৈরি হয়।
৫০ ওভার ICC বিশ্বকাপটেস্ট ক্রিকেট
পাঁচ দিনের ম্যাচ — ড্র সম্ভব, তাই তিন ফলাফলের বাজার থাকে। পিচ ও আবহাওয়া টেস্টে বেটিং মার্কেটকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে। ধৈর্যশীল খেলোয়াড়দের জন্য উপযুক্ত।
তিন ফলাফল পাঁচ দিন
BPL, IPL ও আন্তর্জাতিক ম্যাচ
বাংলাদেশের নিজস্ব ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ BPL (বিপিএল) দেশের সবচেয়ে আলোচিত টি-টোয়েন্টি আসর। winvip-এ BPL-এর প্রতিটি ম্যাচে একাধিক মার্কেট উন্মুক্ত থাকে — ম্যাচ শুরুর আগে থেকে শেষ বলের আগ পর্যন্ত।
ভারতের IPL বিশ্বের অন্যতম সেরা টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা। ICC T20 বিশ্বকাপ ও ক্রিকেট বিশ্বকাপেও বাংলাদেশি দর্শকদের মনোযোগ অনেক বেশি থাকে, বিশেষত টাইগার্সদের ম্যাচে।
ফুটবল বেটিং-এ ক্রিকেটের মতোই ম্যাচ উইনার ও অভার/আন্ডার মার্কেট থাকে, তবে ড্র আরও ঘন ঘন হয় বলে অডস গঠন আলাদা। ক্রিকেটে ইনিংস-ভিত্তিক মার্কেট থাকে যা ফুটবলে নেই।
ক্রিকেটে জনপ্রিয় সাতটি বাজার
winvip-এ ক্রিকেট বেটিংয়ে শুধু জেতা-হারা নয়, আরও অনেক ধরনের মার্কেটে বাজি রাখা যায়। এখানে সাতটি পরিচিত মার্কেটের সহজ পরিচয়।
দুই দলের মধ্যে কে জিতবে তা আগে থেকে বেছে নেওয়া। T20 ও ODI-তে সবচেয়ে সহজ এন্ট্রি পয়েন্ট — উদাহরণ: দল A জিতলে বাজি টাকা ফেরত আসে মুনাফাসহ, হারলে বাজির পুরো অর্থ যায়।
কোন দল টসে জিতবে তা নিয়ে বাজি। ম্যাচের ফলাফলের সাথে সম্পর্কহীন, ফলে এটি সম্পূর্ণ আলাদা মার্কেট। পিচ ও আবহাওয়া বিবেচনায় টস অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
একটি দলে সর্বোচ্চ রান কে করবেন তার উপর বাজি। T20-তে ওপেনার ও ফিনিশারদের উপর নজর বেশি থাকে। এই মার্কেটে কয়েকজন খেলোয়াড়ের নাম থাকে, একজনকে বেছে নিতে হয়।
একটি ইনিংসে মোট রান একটি নির্ধারিত সংখ্যার বেশি হবে নাকি কম — এই বাজার। উদাহরণ: "দল A ১৬৫ রানের বেশি করবে কি না" — হ্যাঁ বা না নিয়ে বাজি।
একাধিক ম্যাচের বেশ কয়েকটি বাজি একসাথে জুড়ে দেওয়া। সব নির্বাচন সঠিক হলেই পুরো মুনাফা পাওয়া যায়, একটি ভুল হলে পুরো বাজি যায়। অডস গুণ হয় বলে সম্ভাব্য রিটার্ন বেশি।
কোনো নির্দিষ্ট খেলোয়াড় কত রান করবেন বা কত উইকেট নেবেন তার উপর নির্ধারিত সীমা ধরে ওভার/আন্ডার বাজি রাখা যায়।
দুই দলের শক্তির পার্থক্য সামঞ্জস্য করতে একটি দলকে কাল্পনিক সুবিধা বা অসুবিধা দিয়ে বাজার তৈরি করা হয়। উদাহরণ: দল A-কে −১৫ রানের হ্যান্ডিক্যাপ দেওয়া মানে হলো ফলাফল গণনার সময় দল A-এর স্কোর থেকে ১৫ বাদ দেওয়া হবে। এই ধরনের মার্কেটে স্টেক ও রিটার্নের হিসাব না দেখিয়ে শুধু নিয়মটি বোঝা গুরুত্বপূর্ণ।
ডেসিমাল, ফ্র্যাকশনাল ও আমেরিকান অডস — তিন ফরম্যাট
winvip-এ অডস তিনটি পরিচিত ফরম্যাটে দেখা যায়। প্রতিটি ফরম্যাট একই সম্ভাবনাকেই ভিন্নভাবে প্রকাশ করে। নিচের উদাহরণ দুটো দেখলেই পার্থক্য স্পষ্ট হবে।
উদাহরণ ১ — দল A জয়
ধরুন ৳২০০ বাজি ধরলেন দল A জিতবে বলে। অডস তিন ফরম্যাটে একই অর্থ বহন করে:
| ফরম্যাট | অডস | বিবরণ |
|---|---|---|
| ডেসিমাল | 2.50 | বাজির পরিমাণ এই সংখ্যায় গুণ হয় |
| ফ্র্যাকশনাল | 3/2 | প্রতি ২ টাকায় ৩ টাকা মুনাফা |
| আমেরিকান | +150 | ১০০ বাজিতে ১৫০ মুনাফা |
দল A জিতলে ৳২০০ বাজিতে মোট ৳৫০০ ফেরত পাবেন (৳৩০০ মুনাফা + ৳২০০ মূল বাজি)। দল A হারলে ৳২০০ সম্পূর্ণ যাবে।
উদাহরণ ২ — দল B ফেভারিট
ফেভারিট দলের অডস সাধারণত কম থাকে — একই বাজিতে মুনাফা কম। ৳২০০ বাজি, দল B জিতবে:
| ফরম্যাট | অডস | বিবরণ |
|---|---|---|
| ডেসিমাল | 1.80 | বাজির পরিমাণ এই সংখ্যায় গুণ হয় |
| ফ্র্যাকশনাল | 4/5 | প্রতি ৫ টাকায় ৪ টাকা মুনাফা |
| আমেরিকান | −125 | ১০০ মুনাফার জন্য ১২৫ বাজি দিতে হয় |
দল B জিতলে ৳২০০ বাজিতে মোট ৳৩৬০ ফেরত পাবেন (৳১৬০ মুনাফা)। আমেরিকান মাইনাস অডস মানে হলো ১০০ টাকা মুনাফার জন্য কতটা বাজি রাখতে হবে।
অডস যত বেশি, মুনাফার সম্ভাবনা তত বেশি — কিন্তু ফেভারিটের অডস সবসময় কম থাকে। বাজি ধরার আগে তিনটি ফরম্যাটের যেকোনো একটি বেছে নিলেই চলে, winvip-এ ফরম্যাট পরিবর্তন করার সুবিধা আছে।
ম্যাচ চলাকালীন ইন-প্লে বেটিং
উইকেট পড়লে, পাওয়ারপ্লে শেষ হলে বা দুর্দান্ত কোনো ওভার হলে অডস সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তিত হয় — লাইভ বেটিং এই গতিময় মুহূর্তগুলোকেই কাজে লাগায়।
T20-তে প্রতিটি ওভারের পর নতুন মার্কেট খোলে। উদাহরণ: ১০ ওভারে দল A ৭৫/৩ — বাকি ১০ ওভারে কতটা রান করবে তার ওভার/আন্ডার মার্কেট লাইভে পরিবর্তিত হতে থাকে। তিনটি উইকেট একসাথে পড়লে ম্যাচ উইনার মার্কেটে অডস দ্রুত বদলায়।
ইন-প্লে বেটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় কম থাকে, কারণ বাজার দ্রুত বন্ধ হয়ে যায়। তাই আগে থেকে ম্যাচের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে একটা ধারণা থাকলে ভালো।
- উইকেট পড়লে ব্যাটিং দলের ম্যাচ উইনার অডস বাড়ে, বোলিং দলের কমে।
- পাওয়ারপ্লে শেষে রান রেট কম থাকলে মোট রানের আন্ডার মার্কেট আকর্ষণীয় হতে পারে।
- লাইভ ক্যাশআউট অপশন থাকলে বাজি শেষ হওয়ার আগেই আংশিক মুনাফা নেওয়া যায়।
ফুটবল ও অন্য স্পোর্টস বেটিং
ফুটবল বেটিং
ক্রিকেটের মতোই ফুটবলে ম্যাচ উইনার, মোট গোল (ওভার/আন্ডার) ও হ্যান্ডিক্যাপ মার্কেট পাওয়া যায়। মূল পার্থক্য হলো ফুটবলে ড্র একটি সাধারণ ফলাফল, ফলে তিনটি আলাদা অডস থাকে — হোম জয়, ড্র, অ্যাওয়ে জয়। ক্রিকেটের T20 ফরম্যাটে সাধারণত ড্র নেই।
লাইভ বেটিংয়ে গোল হলে অডস তাৎক্ষণিকভাবে পরিবর্তিত হয়, ঠিক যেমন ক্রিকেটে উইকেট পড়লে হয়।
অন্যান্য স্পোর্টস মার্কেট
winvip-এ ক্রিকেট ও ফুটবলের বাইরেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্পোর্টসে বেটিং মার্কেট থাকে। বেটিংয়ের মূল নীতি একই — অডস বুঝুন, মার্কেট বেছে নিন, বাজি রাখুন।
ক্যাসিনো গেমেও আগ্রহ থাকলে winvip Casino-তে লাইভ ডিলার ও স্লটের সম্পূর্ণ সংগ্রহ দেখতে পাবেন।
ক্রিকেট বেটিংয়ে কাজের কিছু পরামর্শ
বেটিং বিনোদনের একটি মাধ্যম — এটি আয়ের পথ নয়। নিচের বিষয়গুলো মাথায় রাখলে অভিজ্ঞতা আরও উপভোগ্য হবে।
- বাজেট ঠিক করুন: প্রতি সেশনের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ বরাদ্দ রাখুন এবং তার বাইরে না যাওয়াই ভালো।
- একটি মার্কেটে দক্ষতা তৈরি করুন: ম্যাচ উইনার ভালো বোঝার পর অন্য মার্কেটে যান — একবারে সব মার্কেটে বাজি না রাখাই ভালো।
- পিচ ও আবহাওয়া: বিশেষত ODI ও Test-এ পিচের ধরন এবং আবহাওয়া ম্যাচের গতি নির্ধারণ করে।
- মাল্টি বেটে সতর্কতা: সব নির্বাচন সঠিক না হলে পুরো বাজি যায়। কম সংখ্যক নির্বাচন দিয়ে শুরু করুন।
- দায়িত্বশীল খেলা: লোকসান হলে তা পুষিয়ে নেওয়ার জন্য বড় বাজি না ধরাই ভালো। দায়িত্বশীল খেলার গাইডলাইন পড়ুন।
- লাইভ বেটিংয়ে ধৈর্য: দ্রুত অডস পরিবর্তনের সময় তাড়াহুড়ো না করে ম্যাচের প্যাটার্ন বোঝার চেষ্টা করুন।
তিনটি সিলেকশনের মাল্টি বেট
তিনটি আলাদা ম্যাচে তিনটি সিলেকশন নিয়ে মাল্টি বেট তৈরি হলে অডস গুণ হয়:
| সিলেকশন | ডেসিমাল অডস |
|---|---|
| সিলেকশন ১ | 1.70 |
| সিলেকশন ২ | 1.80 |
| সিলেকশন ৩ | 1.90 |
| সম্মিলিত অডস | 5.81 |
১.৭০ × ১.৮০ × ১.৯০ = ৫.৮১ (প্রায়)। ৳১০০ বাজিতে তিনটি সিলেকশন সব সঠিক হলে ৳৫৮১ ফেরত পাবেন। কিন্তু একটিও ভুল হলে পুরো ৳১০০ চলে যাবে।
ক্রিকেট বেটিং শুরু করতে যা জানা দরকার
winvip-এ নতুন অ্যাকাউন্ট খুললে প্রথম ডিপোজিটে ১০০% বোনাস পাবেন, সর্বোচ্চ ৳৫,০০০ পর্যন্ত। বোনাসের ওয়েজারিং রিকোয়ারমেন্ট ২০ গুণ — অর্থাৎ ৳১,০০০ ডিপোজিট করলে ৳১,০০০ বোনাস পাবেন এবং বোনাসের উইথড্রয়ের আগে ৳২০,০০০ বেট করতে হবে।
সর্বনিম্ন ডিপোজিট ৳২০০। পেমেন্ট করা যাবে bKash, Nagad, Rocket অথবা ব্যাংক ট্রান্সফারে। উইথড্রয়ের সময় সাধারণত ১ ঘণ্টার মধ্যে। সর্বনিম্ন উইথড্র ৳৫০০।
নিয়মিত বেটারদের জন্য winvip-এর VIP প্রোগ্রাম-এ Bronze থেকে Diamond পর্যন্ত পাঁচটি স্তর রয়েছে, সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাকসহ। অ্যাকাউন্টে লগইন করতে সমস্যা হলে winvip login পেজ দেখুন।